Posts

Showing posts from August, 2021

কবি আল আমীনের কবিতা

 ভালোবাসায় ফিরে আসি     -আল আমীন#  আমি 🇧🇩 বাংলাদেশেী তুমি বাংলাদেশী এই বাংলাদেশকে মোরা ভালোবাসি।  হৃদয়ের গভীরে রেখেছি এই দেশকে আসুন ভালোবাসায় ফিরে আসি। কেনো এতো রেষারেষি  কেনো এতো দ্বন্দ্ব?  কেনো আমরা ক্ষমতার লোভে  ক্ষমতার মোহে অন্ধ? কেনো ইতিহাস টানাটানি  কে কী করেছো আমরা জানি, তারপরেও জানাজানির মাঝে  কেনো করো হানাহানি?  সত্যটাকেও জেনেশুনে  কেনো করছো অস্বীকার?  সবার জ্ঞানে থাকার পরেও জাতিকে শিখাও অন্ধকার!!  আপামর জনতা সবাই বুঝলো তোমরা জ্ঞান পাপী!  কবে হবে শুভবুদ্ধির উদয় ওহে বুদ্ধির ঝাঁপি?  বিঃদ্রঃ ভালোবাসা দিয়ে রংধনুর মতো ভালোবাসার সেতুবন্ধন তৈরি করি

কবি আল আমীনের কবিতা

 নেই কোনো পরিবেশ      -আল আমীন# ছোটকালে কত উড়িয়েছি ঘুড়ি  মাঠে ঘাটে করেছি খেলা! কলাগাছের ঝার উজাড় করে  ভাসিয়েছি খালে ভেলা। হা ডু ডু খেলায় জড়ো হতো নদীর পাড়ের মাঠে, প্রায়ই খেলার ধুম পড়িত কুমারখালির হাটে। এখন হয়তো নেই সেই খেলা নেই কোনো পরিবেশ, মাঠে মাঠে বাগান বাড়ি  খেলা করেছে শেষ! এখন, অলস জাতি ফেইসবুক নিয়েই করে মাতামাতি, নষ্ট গ্রাম্য রাজনীতির প্রভাবে মারামারি হাতাহাতি।

কবি আল আমীনের কবিতা

 কাশবনে ফুল     -আল আমীন# শরতে তুলোর মত সাদা মেঘ আকাশে ভেসে বেড়ায়, তুল তুলে মেঘ রাতের জোস্না মনটা কেড়ে নেয়। কাশবনে ফুল সাদা চক চক মনে দোলা দেয়, শন শন বাতাস প্রকৃতির খেলা দেখে মন জুড়ায়। নদীর তটে ভীড় করেছে অনেক ক্রেতায়, ঝাকে ঝাকে ইলিশ পারে  বয়ে আনছে জালিয়ায়। দাম চড়া তার ক্রেতার নাভিশ্বাস  ক্রয় করাই দায়, সবাই তাহা পারে না খেতে পারে না খুচরা পয়সায়।

কবি আল আমীনের কবিতা

 ঈদ তো আমার নয়      - আল আমীন# ওহে প্রিয় অন্তরতম ওগো নিরবে নিবৃতে ঘন বর্ষায়, আছি বসে একা একা তোমারই আশায়। অন্ধকারচ্ছন্ন ঘন কালো মেঘে জীবনের ডাইরীর পাতায়, লিখবো কি তোমার নাম তব কাগজের সাদা খাতায়? নিরবচ্ছিন্ন কর্মের ঘর্মাক্ত শরীর অবসাদে ঘুম পায়, এই দেহখানি কতই না অবমূল্যায়িত ফুটপাতেই পড়ে রয়। এই জীবনেই কী আর পাইলাম ঈদ তো আমার নয়, আমিই তো ভাই ফুটপাতের নাগরিক  ছিন্নমূল শিশু আমায় কয়!!

কবি আল আমীনের কবিতা

 বাংলাদেশের কুলখানি     -আল আমীন# আকাশে  মেঘের ☁ ঘনঘটা  মাঠঘাট কানায় পূর্ণ,  কত লোকের মনের বাসনা  স্বপ্ন হয়েছে চূর্ণ।  পানির তোড়ে ভেসে যায় সন্তান  ভেসে যায় পালা মাছ, মাথার উপরে পানিবদ্ধ বলে পঁচে যায় ধান গাছ। কখনো কখনো দাদাদের দেয়া উপহার ভুড়িভুড়ি! বানিয়েছে মরুভূমি ফারাক্কা বাঁধে মারে ফারক্কার পানি ছাড়ি। অবাধ চলাচলে দিয়েছে বাঁধা  পানির স্বাভাবিক গতিবিধি,  প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেছে বাঁধে  তাই তো কপালে বাঁধে যদি! মঙ্গা-খড়ায় ইচ্ছামতো মারে ইচ্ছামতো ছাড়ে পানি! তাদেরই দেয়া উপহারে উৎযাপন  বাংলাদেশের কুলখানি।

কবি আল আমীনের কবিতা

 আত্নত্যাগের শিক্ষা           -আল আমীন  আদরের সন্তান নিয়ে পরীক্ষায় পড়লেন মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহীম, আদেশ পেলেন কোরবানির জন্য কোরবান হবে ইসমাঈল। ঈমানি পরীক্ষায় পাশ জাতির পিতা  কোরবান হলো পশু, চিরতরে পরাজিত হলো সেই দিন শয়তান নামের দস্যু। ওহে মুসলিম শিখে লও আজি আত্নত্যাগের শিক্ষা, ত্রুটিমুক্ত পশুর বিনিময়ে পাবে সঠিক পথের দিক্ষা। আল্লাহর রাহে কোরবান করে প্রতিবেশী নিয়ে, একটি অংশ তাদের মাঝে  দাওগো বিলিয়ে। কোরবানির রক্ত-মাংস রবের কাছে নয় যে গ্রহনযোগ্য,  তোমাদের মনের তাকওয়া আল্লাহভিতি হবে যে মিলে সখ্য।

কবি আল আমীনের কবিতা

 তোমার প্রিয় ঘরে    -আল আমীন# দাও গো হে রব  হজ্বের তাওফিক তোমার প্রিয় ঘরে, এই অসহায় সামর্থ্যহীন আজি রইলো দেশে পড়ে। তোমার নবীর ঘর জিয়ারাত করতে যেন পারি, রিক্তহস্ত দূর করে তুমি সামর্থ্য করো ভারি। লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক তাকবির  তোমার ঘরের কাছে, দরুদ ছালাম পৌছে দিবো যেথায়  নবীর রওযা আছে। এই অভাগার মনের আশা করো পূরণ তুমি, ব্যাকুল মনে  🇧🇩 বাংলাদেশে পড়ে রইলাম আমি।

কবি আল আমীনের কবিতা

 ধর্ষিত এই দেশ    -আল আমীন # ধর্ষিত আজ মানচিত্র  ধর্ষিত এই দেশ! ধর্ষণ করে সোনার বাংলা  করে দিলো তারা শেষ।  রন্ধ্রে রন্ধ্রে খুবলে খাচ্ছে  চেতনার দোহাই দিয়ে!  স্বাধীন দেশে জনতা রোহিঙ্গা  সুখী পরিবার নিয়ে!!  লুটের রাজত্ব কায়েম করেছে  চেটেপুটে সবাই খায়! তৈলবাজ চাটুকার একই তরীতে গড্ডালিকায় গা ভাসায়। চারিদিকে শুনি শেয়ালের হাঁক মূরগী কেনো বাঁধা?  ডালা থেকে মূরগীগুলো ছেড়ে দাওনা দাদা! মূরগীগুলোর পালকের নিচে  একটু চাটা দেই! আহ্! অমৃত সুধা পান করেই মজা লুটে নেই। 

কবি আল আমীনের কবিতা

 গেয়েছো মুক্তির গান    -আল আমীন # স্বাগতম হে বীর সেনানি!   তোমরাই বীর সন্তান, জাতি করেছো মুক্ত স্বাধীন  গেয়েছো মুক্তির গান। তোমরা করেছ সমবেত  এক পতাকার ছায়ায়,  করোনি দ্বিধাবিভক্ত কোনজনে এক ভূখণ্ডের মায়ায়! আজ আমরা সেই সে জাতি  শত বিভক্তে মাতি! খন্ড বিখন্ড কলিজা ভূখণ্ড  তর্কবিতর্ক রাতারাতি।  মুক্তিযোদ্ধাকে বানায় রাজাকার  নিছক স্বার্থের ছলে! নিজের স্বার্থে আঘাত এলে বানায় রাজাকার মুক্তিযোদ্ধার ছেলে!! জাতি কেটে করেছে কুটিকুটি  ঘরে ঘরে হানাহানি!  হিংসে বিভেদ চলে হরদম  নয়তো গোপন কানাকানি। 

কবি আল আমীনের কবিতা

 কাঁদালে বাঙ্গালির প্রাণ       -আল আমীন # বঙ্গবন্ধু তুমি গানের কথা ছন্দ কবিতা কন্ঠে সুরের তান, এক গুচ্ছ রজনীগন্ধার সুভাস স্নিগ্ধ চির চেনা ভাসমান। এই বাঙ্গালি উজ্জিবিত হয়েছিলো  শুনে তোমার ভাষণ, তুমি-তো গেয়েছিলে বজ্রকন্ঠে বাঙালির জয়গান। সেই তুমি এক নিমিসেই ১৫ আগষ্টে কাঁদালে বাঙ্গালির প্রাণ, বিপদ গামী কিছু ঘাতক সৈনিক ঝরালো তোমার খুন। এ খুন শুধু তোমায় একাকে করেনি করেছে পরিবার পরিজন, তোমার খুনে ক্ষতির স্বীকার সেদিন সারা বাংলার জনগন।

কবি আল আমীনের কবিতা

  অভিশপ্ত   -আল আমীন # আলেমদের করে অপমান দেশে  সম্মানিত হবে জাতি?  চামের চোখে দেখে মরা লাগবে না সে সুখে যেন না মাতি। অভিশপ্ত আজ পদে পদে দেখি লাঞ্ছিত পথে ঘাটে!  অপমানিত ঐ মানুষগুলি দেখি মাথা নিচু করে হাটে।  এহকালেই তারা লাঞ্ছিত অপমানিত  উষ্ঠা খেয়ে মরে!  আরও তো রয়েছে সামনে বাকি তার যাহা পাইবে পরপারে।  কুকুর ছানার মতো এখানে ওখানে  লাত্থি চড় খায় ওরা! আর খালি ঘেউঘেউ করে কেবল  ওদের কপাল পোড়া!!

কবি আল আমীনের কবিতা

 কঠিন স্মৃতি..............কবিতার নাম> চিনাজোঁক    -আল আমীন # বক্ষে তাহার জোঁক লেগেছে  চিমটি কাটছে গায়, আসছে ঘরে গা বেয়ে তার ডালার নাড়া কুটায়।  হাত দিয়েও তা যায়না ছাড়ানো চুইংগামের মতো লেগে!  ছাড়াতে গেলেও চিনাজোঁক বুকে  উঠে ল্যাকলেকিয়ে জেগে।  চিল্লাচিল্লি করছে ছুকড়ি  হাত-পা ছুড়ে মরে! হাউমাউ করে কাঁদে সদা ছুকড়ি মরে ডরে। ভয়ে কাতর হাত-পা কাপে  মনে ভীষণ ভয়! এই চিনাজোঁক ল্যাকলেকিয়ে যদি কিছু কয়?

কবি আল আমীনের কবিতা

 রক্ত জোঁকে চাটে           -আল আমীন# তোমাদের হলোনা কান্ড-জ্ঞান আবারো গরু বাঁধলে ধানের পাশে! আইল পেয়ে বাঁধার কারণে দেখ গুছিগুলো খেয়েছে দাঁতে পিষে। এত বড় মাঠ! সব ঘাস কি আমার ভুঁইয়ের কাছে? না, শত্রুতা করে মনে মনে লেগেছো আমার পিছে? তোমাদের কী বলবো বলার কী-বা আছে? সবই মোর কপাল-অদৃষ্ট যেন লেখা আছে সাচে। এত কষ্ট ক্লেশ করলাম আমি ঘাম ঝরালাম মাঠে! কত পোকা-মাকড় পানি কামড়ি রক্ত জোঁকে চাটে।

কবি আল আমীনের কবিতা

 কবিতা  আখি ছলছল     -আল আমীন  কিছু কিছু স্মৃতি মনে যদি আসে  দু,চোখ বেয়ে নামে জল! সর্বদা কষ্ট ফুপিয়ে কাঁদে মন পানি জমে আখি ছলছল!  স্মৃতির পাতায় জমা সেই কথাগুলো  হৃদয় ভেঙে হয় নদী!  ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ সেই নদীতে  পানি চলে যায় নিরবধি।  এমনও স্মৃতি জমা হদয়ে ভাসে  যেন আমিই বোকা বড় বেশি!  সেই স্মৃতিগুলো সামনে এলে অগোচরে খুব বেশি হাসি!  আহাম্মক বনে যাই কিছু স্মৃতিতে  আবার কিছু স্মৃতি দেয় সুখ! আশ্চর্য লাগে মনে কিছু কিছু স্মৃতি পাইনা ভাষা হই মুক। সর্বদা একটাই দেয় পিড়া সে এভাবে যদি করতাম,  আরও সফলতা সেভাবে হতো হৃদয়টা সুখে ভরতাম।  আফসোস এভাবেই পিছু ছাড়ে না  হয়ে যা-ই সীমাহীন লোভী!  কিসের পিছে পিছে সকলে ছুটে  মনে মনে সেটাই ভাবি। 

কবি আল আমীনের কবিতা

 কবিতা  কোপা শামসু কোপা     - আল আমীন #      বাপ দাদার খবর নাই  বন্ধু নিয়ে লাফা! পরের জন্য আপন ভাইরে কোপা শামসু কোপা!! বাইল থুইয়া শামসুরে তুই  উল্টো পথে চল্! পরের জন্য নিজের বাপরে অকথ্য দিস গাল্? কোথায় রইলো আর্জেন্টিনা  কোথায় ব্রাজিল?  ঝগরা করে প্রতিবেশীর  নাকে মারলি কিল! নিজের পোন্দে বাঁশ যায় তার খবর নাই,  পরের পোন্দের বাঁশ দিয়া বেহালা বাজায়! তোদের আকাম-কুকাম দেখে  শয়তান লজ্জা পায়! হাসতে গিয়েও শয়তান কাঁদে  তোদেরই জ্বালায়।  রসিক মানুষ রাস্তা ঘাটে  লকডাউন দেখতে যায়!  বেরসিক ঐ পুলিশ এসে  হাজতে ঢুকায়। করোনায় মৃত্যু যে হারে বাড়ছে নিছক খেলার সময় কই?  গোসলের সিরিয়াল পেতে সজনের শোক প্রকাশের সুযোগ নেই। 

কবি আল আমীনের কবিতা

  ঘোর অমানিশা ঘোর     -আল আমীন # লক ডাউন শাট ডাউন  ক্ষুধায় কয় পেট ডাউন,  দেখে না পেট কোনো কারণ  প্রয়োজন মানে না বারণ।। আইন বলে কথা নেই  চাল-ডাল প্রয়োজন,  ক্ষুধা পেটে নীতি নেই  নীতি সে-তো অকারণ।।  অভাবের তাড়নায়  ক্ষুধা নয় সইবার, অক্সিজেন সংকট চারিদিকে হাহাকার। পরিবার পরিজন  না খেয়ে আছে মোর, ঢেকে আছে আঁধারে  ঘোর অমানিশা ঘোর।  দিন মজুর দিন নাই  হয়ে আছে অন্ধকার!  প্যাডেল আছে ঘোরে না অচল প্যাডেল রিক্সার। 

কবি আল আমীনের কবিতা

  বিশেষ শ্রেণি    -আল আমীন # কোরআন হাদিসের নেই যার জ্ঞান  সে কেমন বুদ্ধিজীবি? চুলহীন মাথায় টাকলু দেখায় সবাই, কয় যে পরজীবি!  কৃত্রিম বিভাজনে এক শ্রেণির মানুষ  আলাদা যেন জাতি!  সুশীল বলে কাউকে আবার  গালিতে বাঙালী মাতি। সমাজে নাপিত, ধোপা মেথর যেমন আলাদা করে চিনে! তেমনি যেনো ঐ বুদ্ধিজীবীদের   বিশেষ শ্রেণি জানে। নরসুন্দর বলিলে কাউকে  হা..করে থাকে সামনে!  মনে মনে বলে বেচারা  অর্থ জানিবো কেমনে? 

কবি আল আমীনের কবিতা

 জিন্দা লাশ    -আল আমীন  বিবেক সবার রসাতল  মনুষ্যত্ব গঙ্গার জল! মানুষ আজ দাঁতাল শুয়োর  ধূর্ত সব হায়েনার দল। শুয়োরগুলো মরে না যদিও দেশে করোনা। শ্রমিক নয়তো কেনা দাস পেটের দায়ে জিন্দা লাশ!  সিদ্ধান্ত হয় সকাল বিকাল  যানবাহনের বড়ই অকাল! প্রভুত্ব আজ মোড়ে মোড়ে  তাইতো দাসের কপাল পোড়ে। প্রভুর হাতে ছড়্ড়ি  ঘোরে  দাসে প্রভুর ডঢ়ে মরে।  জিডিপির শেকল বেড়ী বেঁধেছে দাসের গলে এভাবেই উন্নয়নের ফাঁকাওয়াজ সমানে চলে!

কবি আল আমীনের কবিতা

 কবিতা  ---------- অনাবিল সুখ     -আল আমীন  প্রকৃতির মাঝে খুঁজে পেলাম   হৃদয়ের অনাবিল সুখ! প্রকৃতি তুমি দূর করে দাও মানবের সকল দুঃখ। এই প্রকৃতি রবের দেয়া  অফুরান নেয়ামত,  প্রকৃতি থেকে হৃদয় ভরে  নেই যে কতো স্বাদ! রবের দেয়া আলো-বাতাস চলে প্রাণীর শ্বাসপ্রশ্বাস,  একটু খানি বন্ধ হলে দম সবাই বলে লাশ! এ-ই তো ক্ষণে পরিবর্তন  ডাকতো সবাই কতো যতন! যখন দেহে ছিল লাশের রূহ  সোহাগ করতো নিজের মতন!!

কবি আল আমীনের কবিতা

 কাঁদবো না-কি হাসবো          -আল আমীন  যে দেশে ছাত্র মরলে দাঁত কেলিয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রী হাসে, সেখানে কাঁদবো না-কি হাসবো আমি ভাবি বসে বসে। যে দেশে ছাত্রের রক্তে  রঞ্জিত হয় যমীন, সে দেশে পঙ্গপালের বাস মানুষ ভাসমান!  যে দেশে ছাত্র তার অধীকার আদায়ে রাস্তায় নামিলে, সে দেশে খুন না হয় গুম হয়ে যায় হদিস না মিলে। ................................................... ...................................... ........................ .................

কবি আল আমীনের কবিতা

  কবিতা  ---------- নামধারী     -আল আমীন ঈমানের পরে জারি তোমার নামাজ,  মুসলিম নামে শুধু  ভুলে গেলে আজ। নামধারী কাম নেই  বড়ো বড়ো কথা!  কথা কাজে মিল নেই আকামে মাথা ব্যাথা। ঘাম ঝরে আকাম করে  বেহিসেবী স্বপ্ন!  তুড়ুকের তাস খেলে ঘুম ঊষালগ্ন।  রাত জেগে ঘুম সাবাড়  ফেইসবুক চালিয়ে!  সুমধুর স্বপ্নীল কোরআনে  নেয়নি চোখ বুলিয়ে।

কবি আল আমীনের কবিতা

 কবিতা  --------- লাইন   -আল আমীন  লাইন ছাড়া বোলে কবিতা লেখি লাইন ছাড়া কি কবিতা হয়? ভরা মজলিশে মশকারির ছলে আমার অফিসার কয়! এখনো লেখলাম লাইনে লাইনে  লাইনে চলে সব কিছু, লাইন হলো নিয়মের পন্থা  সবাই ঘোরে লাইনের পিছু। করোনার টেস্টে লাইন ধরে যায় যে কোনো টিকিটে লাইন লাগে! ত্রাণ নিবে? ট্রেনের টিকেট বলো ভোটের লাইন মনে না-ই জাগে! লাইনে পড়ে ঘাম ঝরেনি  এমন প্রেমিক কোথায় পাই? তুমি স্মার্ট হতে কার্ড ছাড়ালে তাতেও ঘামের কমতি নাই।  খোঁজ নিয়ে দেখ জেলায় জেলায়  রয়েছে কতো পুলিশ লাইন,  লাইনে দাঁড়িয়ে প্যারেট করে দেখতে কতো ফাইন!! সদরঘাটের লাইনের কথা  এখনো মনে পড়ে!  পকেট ফাঁকা অসাবধানে  চোখের পানি ঝরে।

কবি আল আমীনের কবিতা

 কবিতা ----------- জীবন মায়া   -আল আমীন  বেলা শেষে সবার চলে যেতে হবে  কেউ আগে কেউ পরে!  চলে যাওয়া যাওয়ী ভুলে যায় কেহ ভূবণ মায়ায় চড়ে।  গায়ের জোরে শক্তির বলে কেউ করে কুকর্ম!  দিন শেষে সবই অস্তমিত হয় নিয়তির এটাই ধর্ম।  হায়রে জীবন মায়া!  সঙ্গী শুধুই ছায়া ধরে রাখা যায়না তারে! ভালোবেসেছিলাম পরম আদরে যতন করেছি যারে। সেই-তো চেয়ে থাকি যার লাগিয়াও আজি চেয়ে চেয়ে হই সারা! মনে মনে বলি-রে সুখ তুই, ওমনু! সামনে এসে দাঁড়া।